মীর সবুর আহম্মেদ, মুক্তাগাছাঃ
মুক্তাগাছা উপজেলার বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য চলছে মাসের পর মাস। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করলে চালকদের কাছ থেকে শুনতে হয় নানা আপত্তিকর কথা। তবে সিএনজিচালকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, রাস্তায় আগের চেয়ে খরচ বেশি। প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে দিতে হচ্ছে চাঁদা। বাধ্য হয়ে ১০ থেকে ৩০ টাকা ভাড়া না বাড়িয়ে উপায় নাই। সূত্র বলছে, ময়মনসিংহ সিএনজি স্ট্যান্ড, রহমতপুর বাইপাস, মুক্তাগাছা উপজেলার তালুকদার ক্লিনিকের সামনে, মধুপুর ও জামালপুরের অনন্ত ৫-৬ স্থানে আগে যেখানে দিতে হতো ১০-২০ টাকা। এখন সেখানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা চাঁদা দিতে হচ্ছে। এছাড়া পুলিশ ও মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নে আগে মাসিক চাঁদা দিতে হতো ২০০ টাকা এবং নাম্বার ছাড়া ৩০০ টাকা। এখন সেখানে দিতে হয় নাম্বারে ৪০০ টাকা আর নাম্বার ছাড়া ৫০০ টাকা।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, মুক্তাগাছা থেকে ময়মনসিংহ সদর জনপ্রতি ৪০ টাকা ভাড়া নির্ধারিত থাকলেও ৫০ থেকে শুরু করে ৭০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছেন চালকরা। মুক্তাগাছা থেকে মধুপুর ১২০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, মুক্তাগাছা থেকে জামালপুর ১০০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা। এভাবে প্রায় প্রতিটি সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চালকরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়ে নিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম লুৎফর রহমান বলেন, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি সিএনজিচালকদের মাসিক চাঁদা প্রদানের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। যদি কেউ মাসিক চাঁদা নিয়ে থাকেন, তবে সেটা অবৈধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।