সংবাদ শিরোনাম ::
চৌহালীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ জনকে জরিমানা চৌহালীর স্থল ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ চৌহালী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ বেলকুচিতে ৮ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার এনায়েতপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১জন নিহত চৌহালীতে জাটকা নিধন প্রতিরোধে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত চৌহালীতে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৫ পালিত ঢাকাস্থ চৌহালী উপজেলা কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চৌহালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটি গঠন চৌহালীতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আহতদের প্রশাসনের আর্থিক সহযোগিতা

স্বাক্ষরজ্ঞানহীন ব্যাক্তি স্কুল কমিটির সহসভাপতি পদে

  • আশিকুর রহমান নয়ন
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

শিক্ষাব্যবস্থার প্রথম স্তর হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। আর প্রাথমিক শিক্ষার টেকসই ভিত্তি তৈরি তথা গুণগত মান বৃদ্ধিই একটি শিক্ষিত জাতি বিনির্মাণের অন্যতম পূর্বশর্ত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান পরিবর্তনে যেমন শিক্ষক, অভিভাবক ও কর্মকর্তাদের ভূমিকা রয়েছে, একইসঙ্গে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বিদ্যালয়ের অভিভাবক এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি। আর এই ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যেই যদি থাকে গলদ তাহলে শিক্ষাব্যবস্থা কি হবে?

এমনি এক ঘটনা ঘটেছে বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম ইউনিয়নের ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বিদ্যালয়টিতে ন্যূনতম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকা মাদক-অপহরণসহ ৭ মামলার আসামি কিভাবে সহ-সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পরিচয় দেওয়া ইউসুফ আলীর বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদ হোছাইন বলেন, ‘ইউসুফ আলী সভাপতি নয়, তিনি কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে আছেন। তবে তার সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানিনা। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আছে কিনা এই বিষয়ও অবগত নই। এখন যেহেতু অভিযোগ পেয়েছি, তার বিষয়টি আমি মিটিংয়ে উত্থাপন করব। ঘটনার সত্যটা পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটির সভায় কখনোই তিনি উপস্থিত হননি। পদ পাওয়ার পর তার সাক্ষাৎ নেই। তবে স্থানীয় এলাকাবাসী বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, ‘নাইক্ষ্যংছড়িতে তার নানা অপকর্মের পর, জনবিস্ফোরণ ঘটেছে। এলাকাবাসী নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের সোর্স ইউসুফ আলীকে এলাকা ছাড়া করে। তাই ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে তাকে দেখা যায় না।’

২০১৯ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এই নিয়মাবলীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েই যেন সহ-সভাপতি হয়েছেন এই ইউসুফ আলী। টাকার থাকলে যে সবই সম্ভব, তার প্রমাণ ইউসুফ আলী- এমনটাই মনে করছেন সাধারণ অভিভাবকরা।

২০১৯ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নীতিমালা ২ এর ৯ মোতাবেক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন সদস্য লিখিতভাবে সভাপতিকে অবহিত না করে পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে অথবা মৃত্যু বা অন্য কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে তার সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হওয়ার কথা থাকলেও, এই আইন যেন অনিয়মে পরিণত হয়েছে ইউসুফ আলীর ক্ষেত্রে। তিনি অনেকটা জোর করেই ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। এলাকাবাসীর মনে এখন একটাই প্রশ্ন-কে এই ইউসুফ?

ইউসুফ আলী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু উত্তর পাড়া এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে। যার শৈশব কেটেছে অনাহারে। বয়স চল্লিশ কি পঁয়তাল্লিশ। এই জীবনে অর্জন করেছেন নানা কুখ্যাতি। সকল কুখ্যাতি আড়াল করতে নিজ জেলা বান্দরবান থেকে সমাজচ্যুত হয়ে বসবাস শুরু করেন কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানেও নিজ অপকর্মের ভার সইতে না পেরে স্থান পরিবর্তন করে চলে আসেন চট্টগ্রাম বদ্দারহাটে। কিন্তু চট্টগ্রামেও শান্তি মিলছে না এই লোকের। বিভিন্ন মিডিয়ার জ্বালাতনে অতিষ্ঠ তার জীবন। তাইতো সকল সাংবাদিকদের চোখ ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করতে নিজেই সাংবাদিক হিসেবে বনে গেছেন। দাবি করতেন নিজেকে মস্ত বড় সাংবাদিক হিসেবে। কিন্তু তার অপকর্মের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছেন তাকে। তারপরও বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এখনো নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছেন সাধারণ মানুষকে।

একাত্তর সংবাদ এর সম্পাদক সুমন সেন বলেন, তিনি অযোগ্য। অযোগ্য বলেই তিনি প্রথম প্রেস কার্ড কিনেছেন ৭০ হাজার টাকা দিয়ে। পরবর্তীতে এই কার্ডের নবায়ন বাবদ দেয় আরো ৪০ হাজার টাকা।

চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী, হুমকি, অপহরন ও মাদকসহ তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা ও অভিযোগ। এর মধ্যে উখিয়া থানায় পাঁচটি এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় দুটি মাদক কারবার ও চোরাচালানের মামলা রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়া থানায় ২০২১ সালের ১৬ মার্চ তারিখে (এফআইআর নং–২৬/১৭৯) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। এ ছাড়া ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর (জিআর নং–৩৪০/১৪) এবং ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর (এফআইআর নং–২০/৬০৭), তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় কিছুদিন আগে আরও একটি রাস্তায় অবৈধ ভাবে মানুষকে তল্লাশি করায় মামলা হয়। বাকি দুটি নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ২০০৭ সালের ৮ মার্চ তারিখে (জিআরনং–৪২/০৭) বিশেষ ক্ষমতা আইনে এবং ২০১৫ সালের ২২ জুন (জিআর নং–১৩৮/১৫) তারিখে মামলা হয়।

সর্বশেষ মামলাটি হয় গত বছরের ২৬ অক্টোবর উখিয়া থানায়। যার এফআইআর নং- ৮০/১৩৩৯। ধারা: ৩৪১/৩২৩/৩৭৯/৩৬৫/৪২৭/৫০৬/৫১১। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, মারপিট করে যখম, ভায়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণের চেষ্টা এবং চুরি করার অপরাধ।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
DNB News

জনপ্রিয় সংবাদ

চৌহালীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ জনকে জরিমানা

স্বাক্ষরজ্ঞানহীন ব্যাক্তি স্কুল কমিটির সহসভাপতি পদে

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

শিক্ষাব্যবস্থার প্রথম স্তর হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। আর প্রাথমিক শিক্ষার টেকসই ভিত্তি তৈরি তথা গুণগত মান বৃদ্ধিই একটি শিক্ষিত জাতি বিনির্মাণের অন্যতম পূর্বশর্ত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান পরিবর্তনে যেমন শিক্ষক, অভিভাবক ও কর্মকর্তাদের ভূমিকা রয়েছে, একইসঙ্গে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বিদ্যালয়ের অভিভাবক এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি। আর এই ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যেই যদি থাকে গলদ তাহলে শিক্ষাব্যবস্থা কি হবে?

এমনি এক ঘটনা ঘটেছে বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম ইউনিয়নের ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বিদ্যালয়টিতে ন্যূনতম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকা মাদক-অপহরণসহ ৭ মামলার আসামি কিভাবে সহ-সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পরিচয় দেওয়া ইউসুফ আলীর বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদ হোছাইন বলেন, ‘ইউসুফ আলী সভাপতি নয়, তিনি কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে আছেন। তবে তার সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানিনা। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আছে কিনা এই বিষয়ও অবগত নই। এখন যেহেতু অভিযোগ পেয়েছি, তার বিষয়টি আমি মিটিংয়ে উত্থাপন করব। ঘটনার সত্যটা পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটির সভায় কখনোই তিনি উপস্থিত হননি। পদ পাওয়ার পর তার সাক্ষাৎ নেই। তবে স্থানীয় এলাকাবাসী বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, ‘নাইক্ষ্যংছড়িতে তার নানা অপকর্মের পর, জনবিস্ফোরণ ঘটেছে। এলাকাবাসী নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের সোর্স ইউসুফ আলীকে এলাকা ছাড়া করে। তাই ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে তাকে দেখা যায় না।’

২০১৯ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এই নিয়মাবলীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েই যেন সহ-সভাপতি হয়েছেন এই ইউসুফ আলী। টাকার থাকলে যে সবই সম্ভব, তার প্রমাণ ইউসুফ আলী- এমনটাই মনে করছেন সাধারণ অভিভাবকরা।

২০১৯ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নীতিমালা ২ এর ৯ মোতাবেক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন সদস্য লিখিতভাবে সভাপতিকে অবহিত না করে পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে অথবা মৃত্যু বা অন্য কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে তার সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হওয়ার কথা থাকলেও, এই আইন যেন অনিয়মে পরিণত হয়েছে ইউসুফ আলীর ক্ষেত্রে। তিনি অনেকটা জোর করেই ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। এলাকাবাসীর মনে এখন একটাই প্রশ্ন-কে এই ইউসুফ?

ইউসুফ আলী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু উত্তর পাড়া এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে। যার শৈশব কেটেছে অনাহারে। বয়স চল্লিশ কি পঁয়তাল্লিশ। এই জীবনে অর্জন করেছেন নানা কুখ্যাতি। সকল কুখ্যাতি আড়াল করতে নিজ জেলা বান্দরবান থেকে সমাজচ্যুত হয়ে বসবাস শুরু করেন কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানেও নিজ অপকর্মের ভার সইতে না পেরে স্থান পরিবর্তন করে চলে আসেন চট্টগ্রাম বদ্দারহাটে। কিন্তু চট্টগ্রামেও শান্তি মিলছে না এই লোকের। বিভিন্ন মিডিয়ার জ্বালাতনে অতিষ্ঠ তার জীবন। তাইতো সকল সাংবাদিকদের চোখ ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করতে নিজেই সাংবাদিক হিসেবে বনে গেছেন। দাবি করতেন নিজেকে মস্ত বড় সাংবাদিক হিসেবে। কিন্তু তার অপকর্মের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছেন তাকে। তারপরও বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এখনো নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছেন সাধারণ মানুষকে।

একাত্তর সংবাদ এর সম্পাদক সুমন সেন বলেন, তিনি অযোগ্য। অযোগ্য বলেই তিনি প্রথম প্রেস কার্ড কিনেছেন ৭০ হাজার টাকা দিয়ে। পরবর্তীতে এই কার্ডের নবায়ন বাবদ দেয় আরো ৪০ হাজার টাকা।

চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী, হুমকি, অপহরন ও মাদকসহ তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা ও অভিযোগ। এর মধ্যে উখিয়া থানায় পাঁচটি এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় দুটি মাদক কারবার ও চোরাচালানের মামলা রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়া থানায় ২০২১ সালের ১৬ মার্চ তারিখে (এফআইআর নং–২৬/১৭৯) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। এ ছাড়া ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর (জিআর নং–৩৪০/১৪) এবং ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর (এফআইআর নং–২০/৬০৭), তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় কিছুদিন আগে আরও একটি রাস্তায় অবৈধ ভাবে মানুষকে তল্লাশি করায় মামলা হয়। বাকি দুটি নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ২০০৭ সালের ৮ মার্চ তারিখে (জিআরনং–৪২/০৭) বিশেষ ক্ষমতা আইনে এবং ২০১৫ সালের ২২ জুন (জিআর নং–১৩৮/১৫) তারিখে মামলা হয়।

সর্বশেষ মামলাটি হয় গত বছরের ২৬ অক্টোবর উখিয়া থানায়। যার এফআইআর নং- ৮০/১৩৩৯। ধারা: ৩৪১/৩২৩/৩৭৯/৩৬৫/৪২৭/৫০৬/৫১১। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, মারপিট করে যখম, ভায়ভীতি প্রদর্শন, অপহরণের চেষ্টা এবং চুরি করার অপরাধ।